খেলা

১৫ টা ২ মিনিট, ৯ জুন ২০২৩

বলছেন মিয়ামির গোলরক্ষক

মেসির জন্য প্রস্তুত নয় মিয়ামি

লিওনেল মেসির মতো বিশ্বমানের তারকা ফুটবলারের জন্য প্রস্তুত নয় ইন্টার মিয়ামি। বোমা ফাটানোর মতো এমন মন্তব্য করেছেন ক্লাবটির গোলরক্ষক নিক মার্শম্যান। ফোর্ট লডারহিলে ডিআরভি পিএনকে স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট ভাল নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

লিওনেল মেসি। ছবি: সংগৃহীত
লিওনেল মেসি। ছবি: সংগৃহীত

খেলার সময়

২ মিনিটে পড়ুন

এদিকে, মেসির মায়ামিতে যোগ দেয়ার খবরের পর থেকেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া ভেসে বেড়াচ্ছে চারদিকে। তবে, ৩৫ বয়সে এসে মেসির মিয়ামির মতো ক্লাবে যোগ দেয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক তারকা ফুটবলার ওয়েসলি স্নেইডার।

 
বিশ্বকে চমকে দিয়ে গত বুধবার (৭ জুন) রাতে হঠাতই ইন্টার মিলানে যাওয়ার ঘোষণা দেন মেসি। ব্যর্থ হয়ে যায় আল-হিলালের কাড়ি কাড়ি অর্থের প্রস্তাব আর বার্সেলোনার চেষ্টা। কোনো কিছুই আটকে রাখতে পারেনি মেসিকে। পিএসজি অধ্যায় শেষে চাপমুক্ত থাকতেই কম চাহিদা সম্পন্ন যুক্তরাষ্ট্রের লিগকে বেছে নিয়ছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের রূপকার। মেসির এমন সিদ্ধান্তে অনেকে খুশি হলেও বাকা চোখেও দেখেন অনেক সমর্থক। দীর্ঘদিনের প্রিয় ক্লাব বার্সেলোনাও খোঁচা দিতে বাদ যায়নি। তবে, ৩৫ বছর বয়সে এসে মেসির এমন সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার ওয়েসলি স্নেইডার।
 
তিনি বলেন, ‘লিওনেল মেসির মতো ফুটবলার প্রতিদিন আসবে না। সে বিশ্বকে গেল কয়েক বছর ধরে শাসন করেছে। তার মতো ফুটবলার টানা খেলার পর এমন সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে সে অনেক চাপ নিয়েছে। এখন সে যদি কম চাপের লিগে খেলতে চায়, তাহলে সেটা আমাদের মেনে নেয়া উচিত। রোনালদো আল-নাসরে গেছেন। মেসিও মিয়ামিতে গেছেন। এটাকে আমি ইতিবাচকভাবেই দেখছি। বার্সেলোনায় প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারলে বরং তিক্ততা তৈরি হতো। তার চেয়ে সম্মান ধরে রাখাই শ্রেয় আমি মনে করি।’
 
 
ঘোষণা দেয়া হয়ে গেছে। এখন শুধু চুক্তি সই এবং নতুন জার্সি হাতে সংবাদ সম্মেলন বাকি। তবে, এরইমধ্যে হতাশার এক খবর দিয়েছেন ইন্টার মিয়ামির গোলরক্ষক নিক মার্শম্যান। মেসির মতো মহা তারকাকে নিয়ে আসার জন্য যেসব প্রস্তুতি দরকার তা ইন্টার মিয়ামির নেই বলে দাবি তার।
 
ম্যার্শম্যান বলেন, ‘আমাদের স্টেডিয়াম অস্থায়ী, লোকে সেখানে ইচ্ছে করলেই মাঠে ঢুকতে পারে। কোনো গেট নেই। আমরাও কোনোরকম নিরাপত্তা ছাড়া স্টেডিয়াম থেকে বের হই। তাই আমার মনে হয় ক্লাব প্রস্তুত নয়, যদিও আমি চাই সে আসুক।’
 
 
মিয়ামি ফ্রিডম পার্কে ইন্টার মিয়ামি একশ কোটি ডলার খরচ করে নতুন স্টেডিয়াম বানাচ্ছে। এ কারণে অস্থায়ী স্টেডিয়াম হিসেবে আপাতত ফোর্ট লডারহিলে ডিআরভি পিএনকে স্টেডিয়াম ব্যবহার করছে মিয়ামি। এই স্টেডিয়ামের আসনসংখ্যা মাত্র ১৮ হাজার এবং যে ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজন তা নেই। মিয়ামি নিজেদের জন্য নতুন যে স্টেডিয়াম বানাচ্ছে, সেখানে আসনসংখ্যা হবে প্রায় ২৫ হাজার, স্টেডিয়ামটি ২০২৫ সালে খুলে দেয়া হবে।
 


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

খালেদা জিয়ার সঙ্গে লন্ডনে যাঁরা যাচ্ছেন

লন্ডন ক্লিনিকে ভর্তি হবেন খালেদা জিয়া, জানালেন ব্যক্তিগত চিকিৎসক